1. protidinsangbad16@gmail.com : Obaidul Islam : Obaidul Islam
  2. ssexpressit@gmail.com : protidins :
সর্বশেষ :
ধামরাইয়ে ইটভাটার ট্রাকের চাপায় স্কুলছাত্র নিহত ধামরাইয়ে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া ইস্যুতে ইসির সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে রিকশা ছিনতা: দুই দিনেও জ্ঞান ফেরেনি চালকের আচরণবিধি লঙ্ঘনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদকসহ ৬ জনের কারাদণ্ড সাভারে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার ধামরাইয়ে ইউপি সদস্যের ছেলের চুরির বিচার করায় তিনজনকে কুপিয়ে জখম ধামরাইয়ে নয়নজুড়ি খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থীর মতবিনিময় শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা নিয়ে পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানা গেল

শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় আহত যুবলীগ নেতা পেলেন জুলাই যোদ্ধা অনুদান

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাতে গিয়ে আহত এক যুবলীগ নেতা জুলাই যোদ্ধা হিসেবে অনুদান পেয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৪ মে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আহত জুলাই যোদ্ধা হিসেবে সি ক্যাটাগরিতে এক লাখ টাকার চেক গ্রহণ করেন তিনি।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মিনারুল ইসলাম। তিনি খুলনার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

জানা যায়, গত বছর ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে খুলনার আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় কার্যালয় থেকে পালাতে গিয়ে আহত হন মিনারুল। তার চেক পাওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, আহত জুলাই যোদ্ধা সি ক্যাটাগরিতে খুলনায় ৬৩ জনের নামে চেক এসেছে। তাদের মধ্যে ৫০ জন এক লাখ টাকার চেক নিয়েছেন। গত ১৪ মে খুলনার জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের হাত থেকে চেক গ্রহণ করেন মিনারুল।

খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডল জানান, উপজেলা পর্যায়ে আবেদন করলে পুলিশ জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ছাত্র প্রতিনিধি, হাসপাতালসহ বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করে। পরে জেলা কমিটির সভায় আরেক দফা যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মিনারুল নামের ব্যক্তি সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। মন্ত্রণালয় থেকে তার আবেদন যাচাই-বাছাই করে গেজেট প্রকাশ করে চেক খুলনায় পাঠিয়েছে। এ জন্য তার আবেদনের বিষয়ে খুলনায় কোনো তথ্য নেই।

তিনি বলেন, কেউ যদি তার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়, তাহলে সেটি যাচাই করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তখন গেজেট থেকে নাম বাদ দেয়া হবে।

তেরখাদা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এফ এম মফিজুর রহমান বলেন, ‘তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মিনারুল ইসলাম। ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিলে তাকে বহিষ্কার করা হয়। জুলাই আন্দোলনের সময় সে মধুপুরের বাড়িতেই ছিল। ৪ আগস্ট খুলনায় দলীয় কার্যালয়ে সমাবেশে যোগ দিতে যায়। সেখানে পালাতে গিয়ে টিনের চালে ঝাপ দিয়ে পায়ে কী সমস্যা হয়েছে বলে শুনেছিলাম।’

গত বছর ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ছিলেন খুলনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল। আত্মগোপনে থাকা জামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘৪ আগস্ট মিনারুল আমাদের সঙ্গেই ছিল। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে ও কার্যালয় থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে ওর সঙ্গে যোগাযোগ নেই।’

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মিনারুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘জরুরি মিটিংয়ে আছি, ১০ মিনিট পরে ফোন ব্যাক করছি।’ এরপর অসংখ্যবার তাকে ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এক পর্যায়ে মোবাইল বন্ধ করে দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন