
প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে সরকারি কর্মচারী (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ-১৯৭৯ এর বেশ কিছু ধারা প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সংযোজন করা হচ্ছে। বিশেষ বিধান সংযোজন করে সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ সংশোধন করা হবে। এ উদ্যোগ কার্যকর হলে তদন্ত ছাড়াই অব্যাহতি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ আইন সংশোধনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সকাল ১০টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এ নিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দুই অংশ এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন গতকাল বুধবার বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ সংশোধন করে সরকারি কর্মচারী (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ-১৯৭৯ অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছি।
সরকারি চাকরি আইনের সঙ্গে অধ্যাদেশটি যুক্ত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা পরিষদে উপস্থাপন করবে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেলে তদন্ত ছাড়াই সরকারি কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দেওয়া যাবে।জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া সমকালকে বলেন, কোনো দক্ষ সরকার খারাপ আইন জারি করে না। এই বিশেষ বিধান অনেকটা আক্রোশমূলক। মূলত কর্মকর্তাদের আন্দোলন থেকে বিরত রাখতে এবং যার-তার বিরুদ্ধে যখন-তখন ব্যবস্থা নিতে এমন আইন করা হয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সরকার যেমন মামলা দিয়ে বিরোধী দলকে দমন করে, এ আইনটি তেমন।
Leave a Reply